» রাজধানীতে তীব্র জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে জনজীবন

Published: 09. Apr. 2019 | Tuesday

নিজস্ব প্রতিবেদক: চৈত্র মাস। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে তুমুল বৃষ্টি। সোমবার নগরীরতে ধমকা হাওয়া আর প্রচুর শিলাবৃষ্টি হানা দিয়েছে। আর এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে অফিস শেষে ঘরমুখো মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ধাপে বৃষ্টি হয়েছে। এ বৃষ্টিতে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, শ্যামলী, রোকেয়া সরণি, মিরপুর ১০, মিরপুর ১১, কালশী, আরামবাগ, ফকিরাপুল, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসব এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে গেছে। পানির কারণে ওইসব সড়ক দিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ কোনো যানবাহনই চলাচল করতে দেখা যায়নি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে এলাকাবাসীকে।

তবে জলাবদ্ধতার জন্য ঢাকা ওয়াসাকেই দায়ী করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির মেয়র বলছেন, মিরপুর ও কালশী এলাকার ৮-৯টি খাল দখল হয়ে গেছে। এসব খালের দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ওয়াসা। এর পরেও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই খাল উদ্ধার করতে হবে।

আয়েশা সিদ্দিকা নামে স্থানীয় একজন বাসিন্দা মিরপুর ১১ নম্বরের জলাবদ্ধতার একটি ভিডিও ফেসবুকে আপ করেছেন। তাতে দেখা গেছে, পানির কারণে কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারছে না। অনেকগুলো ব্যক্তিগত গাড়ি সড়কে আটকে রয়েছে। দু-একটি রিকশা চললেও কোমরপানি পর্যন্ত ডুবে রয়েছে সেগুলো।

মিরপুর ১০ নম্বরের বাসিন্দা মহিউদ্দিন বলেন, দুপুরের পর যে বৃষ্টি হয়েছে তাতে মিরপুর ও কালশী এলাকা তলিয়ে গেছে। বাজার কারতে এসে এখন একটি মার্কেটে আটকে আছি। জলাবদ্ধতার কারণে কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। দু-একটি রিকশা যেতে চাইলেও ২০ টাকার ভাড়া বলছে ২০০ টাকা।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, কালশী থেকে মিরপুর পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। এজন্য সোমবার আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ নিয়ে বসেছি। এর একটা সমাধান হতে হবে। এটার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছি।

খাল উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই এলাকার সাংবাদিক খালসহ আরো ৮-৯টি খাল দখল হয়ে গেছে। এজন্য আমি একটা রিপোর্ট দিতে বলেছি। আমি বলেছি, আমাদের সবাইকে অ্যাকশনে যেতে হবে। এর পর দেখবো কী ব্যবস্থা নেয়া যায়।